সোমবার, ১৯ এপ্রিল ২০২১, ০৯:৩৯ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ

অর্থবিত্তে “আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ” নরসিংদীর মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রোমানা!

এইচ আর শফিক:
মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে অর্থবিত্তে যেন আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে উঠেছেন ময়মনসিংহের রায়পুর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা। পরিবার পরিজনের নামে-বেনামে গড়েছেন অবৈধ সম্পদ।
রুমানা আক্তার নরসিংদি জেলার রায়পুর উপজেলা মহিলা বিষয়ক র্কমর্কতা হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। মাত্র অল্প কয়েক বছর চাকরির ব্যবধানে গেছেন কোটিপতি বনে। অর্থ প্রাচুর্যের পাহাড় গড়ে তুলেছেন তিনি। কোটিপতি এই মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সম্পদ আড়াল করতে নিয়েছেন চাতুরতার আশ্রয়। সমস্ত অবৈধ সম্পদ নিজের নামে না করে পিতার-মাতা পরিবারে নামে করেছেন। তার পিতা ছিলেন সামান্য একজন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আর মা গৃহিনী। ৩ বোনের টানাটানির সংসারে ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া করাতে হিমশিম খেতেন তার স্কুলশিক্ষক পিতা। সংসারে রুমানাই একমাত্র উপার্জক্ষম। তার বাবা ২০১১ সালে অবসরে গেছেন। কয়েক বছরের ব্যবধানে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর যাত্রাবাড়ীর মত দামী জায়গায় পাঁচতলা বাড়ি হাঁকিয়েছেন মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা। সুরুজ নগরে আড়াইকাটার জমির উপর ৫ তলা ২ ইউনিটের বাড়ী। কাজীর গ্ওা ছাগলের আড়তের পাশে ৩ কাটার বাড়ী, রুপগঞ্জের গোলাকান্দাইল এলাকায় ১২ কাটার একটি প্লট রয়েছে। যা রুমানা রুপগঞ্জে চাকুরি করা কালিন কেনা হয়েছিল। ব্যক্তিগত জীবনে ২টি বিয়ে রোমানার। বর্তমান স্বামী মাসুক তার সকল অবৈধ উপার্জনের কর্মকাণ্ডে সহায়তা করেন বলে জানা গেছে। তিনি তার সহযোগি স্বামীকে দিযেই মূলত সকল ঘুষ ও অপর্কম কাজে লাগিয়ে থাকেন। চাকুরি থেকে শুরু করে মহিলাদের যত দান অনুদান সরকার থেকে আসে তা মূলত নিজেরাই হজম করে ফেলে। এসব অভিযোগের ফলে বিগত দিনে তার চাকুরি যায় যায় অবস্থা হয়েছিল। তখন সাবেক মহিলা কিষয়ক মন্ত্রী মেহের আফরুজ চুমকির তদবির সহায়তায় চাকরীচ্যুত হতে বেচেঁ জান এই রুমানা। পরে তাকে বদলি করা হয় রায়পুরে। তার বর্তমান শ্বশুরবাড়ি হবিগঞ্জ জেলায়, মাসে কয়েকদিন অফিসে উপস্থিত থেকে চলে যান হবিগঞ্জে শ্বশুরবাড়িতে । ইচ্ছে খাম খেয়ালী অবৈধ সম্পদ অর্জন ঘুষ কেলেঙ্কারি সরকারি অনুদান আত্মসাৎ সহ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রচুর অর্ধবৃত্ত বনে যাওয়া বিষয়টি প্রায় সকলের কাছে স্পষ্ট থাকলেও অদৃশ্য কারণে এই মহিলা কর্মকর্তা রয়েছেন বহাল তবিয়তে।
তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সে ও তার স্বামী প্রতিবেদককে অনেক যান্ত্রিকতার সাথে দুর্ব্যবহার করেন এবং কয়েকজন সাংবাদিকের নাম বলেও হুমকি ধমকিও দেন।

Print Friendly, PDF & Email

Please Share This Post in Your Social Media

কপিরাইটঃ ২০১৬ দৈনিক অন্যদিগন্ত এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Design & Developed BY It Host Seba  
Shares