বুধবার, ১৯ মে ২০২১, ০৯:৩০ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ
দুর্নীতির রিপোর্ট করায় রোজিনা ইসলাম আক্রোশের শিকার প্রথম আলোর সাংবাদিকের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতিবাজদের মামলা স্বাস্থ্যে ১৮শ জনকে নিয়োগ॥ জনপ্রতি ১৫-২০ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ নিয়োগ কমিটির দুই সদস্যের সচিবালয়ে পাঁচ ঘণ্টা আটকে রেখে থানায় নেওয়া হলো সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে ডিএমপির ১১ কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন অতিরিক্ত আইজিপি হলেন পুলিশের ৪ কর্মকর্তা ইসরাইলি বর্বর আগ্রাসনের প্রতিবাদে ক্ষোভে উত্তাল বিশ্ব প্রশাসনের নাকের ডগায় রমরমা মাদক পতিতাদরে হাট, নেপথ্যে মানিক ও তারেক মুনিয়ার মামলা নিয়ে পরিবারের অসন্তোস কুমিল্লা-৫ আসনের উপনির্বাচন সাজ্জাদের পক্ষে গনজোয়ার

আলেম-ওলামাদের নির্বিচারে গ্রেফতার করা হচ্ছে: ফখরুল

স্টাফ রিপোর্টার ॥

বর্তমান সরকার ও আওয়ামী লীগের গণতন্ত্রের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই দাবি করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগ এখন সম্পূর্ণ গণবিচ্ছিন্ন একটা দলে পরিণত হয়েছে। রাজনৈতিকভাবে আওয়ামী লীগ দেউলিয়া হেয়ে গেছে বলেই তাদের রাষ্ট্রযন্ত্রের ওপরে ভর করে রাজনীতি করতে হচ্ছে। সোমবার বিকেলে এক ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ এখন সম্পূর্ণ গণবিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার কারণে তাদের রাজনীতি করতে হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নির্ভর করে। তাদের রাজনীতি করতে হচ্ছে বিচার বিভাগকে দলীয়করণ করে। তাদের রাজনীতি করতে হচ্ছে নির্বাচন কমিশনকে ব্যবহার করে। সেই ক্ষেত্রে ওবায়দুল কাদের সাহেবদের আওয়ামী লীগকে আর গণতান্ত্রিক দল বলার কোনো অধিকার নেই। তারা যেটা বলছেন, সেটা ভূতের মুখে রাম রাম।
ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাহেব প্রতিদিন একা একা কথা বলেন। তিনি বোঝাতে চান যে গণতন্ত্রের একমাত্র ধারক ও বাহক তারাই।
১৮ এপ্রিল বলেছেন, ‘আমাদের নিজেদের দলে গণতন্ত্র নেই, আমরা আবার কিসের গণতন্ত্র চাই’। বিষয় সেটা না বিষয়টা হলো আপনারা গণতন্ত্রকে কোন জায়গায় নিয়ে গেছেন। গত ১০ বছর অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করছেন।
ওবায়দুল কাদেরকে তিনি বলেন, আপনারা ২০১৪ সালের নির্বাচন করেছেন সম্পূর্ণ একতরফাভাবে। কোনো বিরোধীদল বিএনপি-গণফোরামসহ কেউ সেই নির্বাচনে অংশ নেয়নি, তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করার কারণে। আমরা ওই নির্বাচন বর্জন করেছিলাম। কারণ বাংলাদেশের সংবিধান লঙ্ঘন করে সেই নির্বাচন করা হয়েছিল। জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। ১৫৪ জনকে বিনাভোটে নির্বাচিত করে তারা সরকার গঠন করেছিল। একইভাবে ২০১৮ সালে নির্বাচনের আগের রাতে ৩০০ আসনেই রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। সুতরাং আপনাদের আর নিজেদের গণতান্ত্রিক বলার কোনো অধিকার নেই।

Print Friendly, PDF & Email

Please Share This Post in Your Social Media

কপিরাইটঃ ২০১৬ দৈনিক অন্যদিগন্ত এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Design & Developed BY It Host Seba  
Shares