সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:১২ পূর্বাহ্ন

কার স্বার্থে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন উপসচিবের বিরুদ্ধে অপপ্রচার সর্বমহলে নিন্দা ও প্রতিবাদ

কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব জনপ্রিয় মুখ জনাব কাইজার মোহাম্মদ ফারাবির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টালে “আইনজীবীর স্ত্রী ভাগিয়ে নিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব, স্ত্রীকে ঘরে ফেরাতে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন ভুক্তভোগী স্বামী” শিরোনামে মিথ্যা, ভিত্তিহীন অপপ্রচারসহ যাবতীয় ষড়যন্ত্রের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানানো হয়েছে।
অনুসন্ধানে দেখা যায়,শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব জনপ্রিয় মুখ জনাব কাইজার মোহাম্মদ ফারাবি’কে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্যই একটি মহল নানারকম পায়তারায় লিপ্ত হয়েছে।
সচেতন সাংবাদিকরা বলেন, সংঘবদ্ধ চক্র ভূয়া নারীঘটিত কেলেঙ্কারী যুক্ত করে কাইজার মোহাম্মদ ফারাবির আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তাকে ধ্বংস করতে চায়।
ভাইরাল হয়ে উঠেছে জনপ্রিয় মুখ জনাব কাইজার মোহাম্মদ ফারাবির প্রতিবাদ সর্বত্রই ব্যাখ্যা সংবলিত প্রতিবালিপি নিয়েই জমে উঠে আলাপ আলোচনা। সচেতন গণমাধ্যম কর্মী ও সম্পাদকদের মধ্যে জনপ্রিয় মুখ জনাব কাইজার মোহাম্মদ ফারাবির প্রতি সহানুভূতি ও ভালবাসারই বহিঃপ্রকাশ লক্ষ্য করা গেছে।
এদিকে জনপ্রিয় মুখ জনাব কাইজার মোহাম্মদ ফারাবি জানান, বিভিন্ন এলাকায় কর্মরত সময়েও আমার বিরুদ্ধে নারীঘটিত কোনো কেলেঙ্কারির অভিযোগ তো দূরের কথা থানা পুলিশের কাছে তুচ্ছ কোনো অভিযোগ উত্থাপনেরও কোনো নজির নেই।
জানা যায়, ২১ জুন তারিখে সাপ্তাহিক শীর্ষনিউজ পত্রিকায় এই মিথ্যা, বানোয়াট নিউজটি প্রকাশিত হবার পর সেটি ফটোকপি করে সচিবালয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দপ্তরে বিলি করা হয় এবং পরবর্তীতে প্রকাশিত খবরটি হুবহু কপি করে ২১জুন হতে ৫ জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন ওয়েব পোর্টালে boost up করা হয়েছে যা
স্পষ্টতই হীন উদ্দেশ্য হাসিল ও প্ররোচিত হয়ে করা হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান। এখানে চৌকস, সৎ ও নিজ ব্যাচে বেস্ট অফিসার হিসেবে পরিচিত এই কর্মকর্তাকে ব্যক্তিগতভাবে ও তাঁর ক্যাডার সার্ভিসকে হেয় করার সর্বাত্মক চেষ্টা করা হয়েছে যা অপ সাংবাদিকতার সামিল।

জানা যায়, কাইজার মোহাম্মদ ফারাবী কুমিল্লা জেলায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে দুই বছর অত্যন্ত সুনামের সাথে কর্মকাল শেষ করে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগে বদলি হয়ে আসেন এবং প্রায় দুই বছর হলো কুমিল্লা থেকে বদলি হয়ে এসেছেন অথচ কুমিল্লা জেলায় তাঁর কর্মকালীন বা গত দুই বছরেও কোন প্রকার অভিযোগ উত্থাপিত হয়নি।

আইনজীবি কর্তৃক দাখিলকৃত যে অভিযোগের ভিত্তিতে যে বানোয়াট খবরটি প্রকাশিত হয়েছে সে সম্পর্কে আইনজীবি সালাউদ্দিন মাহমুদ নিজেই কিছু জানেন না এবং প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদ করে সাপ্তাহিক শীর্ষনিউজের সম্পাদকের সাথে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে সম্পাদক মহোদয় আইনজীবি সালাউদ্দিন মাহমুদের পরিচয় জেনে ফোন কল রিসিভ করেন না।

দু পরিবারের অভিভাবকের উপস্হিতিতে পারস্পরিক সমঝোতায় ৬/৭ মাস পূর্বে আইনজীবি সালাউদ্দিন মাহমুদ ও তাঁর স্ত্রীর মাঝে ডিভোর্স হয় এবং দুজন তাদের অভিভাবকদের সাথেই বাস করছেন। এবং তাদের সন্তানের সার্বিক কল্যাণের জন্য তাদের মাঝে নিয়মিত যোগাযোগ বিদ্যমান যার প্রমানাদি অন্য দিগন্ত এর কাছে আছে।

এমন ভিত্তিহীন অসত্য সংবাদ পরিবেশনে সংশ্লষ্টিরা মানপিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছে, পারিবারীক ও সামাজিকভাবে হেয় হয়েছে, এই দায় কে ঘুচাবে?

এক নারী সংক্রান্ত কথিত অভিযোগ প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাকে ঢালাওভাবে, একচেটিয়া লম্পট, প্রতারক ইত্যাদি নানা বিশেষণে আখ্যায়িত করা হয়েছে তা অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং নিঃসন্দেহে আক্রোশমূলক। এমন সব গুরুতর অভিযোগ একচেটিয়া উত্থাপন করা হয়েছে অথচ অভিযুক্ত ব্যক্তি হিসেবে আমার ন্যূনতম বক্তব্য নেয়ারও প্রয়োজন মনে করেননি প্রতিবেদক। রীতিমত তিনি নিজেই বিচারকের আসনে বসে দন্ডমুন্ডের কতা সেজে আমার বিরুদ্ধে যেন মনগড়া রায় দিয়ে দিলেন। কিন্তু আমরা বরাবরই দেখে আসছি অভিযুক্ত ব্যক্তির আত্মপক্ষ সমর্থনসূচক বক্তব্য প্রদানের সুযোগ বরাবরই গণমাধ্যমগুলো দিয়ে থাকে। তাহলে আমি সে সুযোগ বা অধিকার থেকে বঞ্চিত হলাম কেন?

আরেকটি বিষয় সদয় বিবেচনার জন্য দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমার বিরুদ্ধে লাম্পট্যের একটি (অজ্ঞাত) অভিযোগ উত্থাপন করতে গিয়ে সুপরিকল্পিতভাবে আমার কুমিল্লা জেলার এডিসি থাকাকালীন পূর্ণ বিবরণ এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের উপসচিব পদে কর্মরত অফিসের সম্পূর্ণ ঠিকানা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হয়েছে। যাতে আমাকে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করাসহ আমার অর্জিত সাফল্যের বিরুদ্ধে একটি জনমত গড়ে তোলার অপচেষ্টা মাত্র।
প্রতিবেদনটিতে মিথ্যার বেসাতি ছড়িয়ে মনগড়া ভাবে স্বপ্নে দেখার মতো এক অভিযোগ তুলে বলা হয়, কুমিল্লার এক আইনজীবীর স্ত্রীকে ভাগিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন উপসচিব। অবাক হওয়ার মতো সাংবাদিক কান্ডের সীমাহীন ফঁদে যেন পড়েছি আমি। আমার সামজিক সম্মাণ ধ্বংস করার পাঁয়তারায় লিপ্ত হয়েছে। সেক্ষেত্রে পত্রিকার প্রতিবেদককে তার হাতিয়াড় হিসেবে ব্যবহার করেছে মাত্র। তা না হলে এমন একপেশে ঢালাও অভিযোগ তুলে সংবাদ প্রকাশের নজির আমার জানা নেই।

Please Share This Post in Your Social Media

কপিরাইটঃ ২০১৬ দৈনিক অন্যদিগন্ত এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Design & Developed BY It Host Seba