বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০, ০২:০২ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ
হাটহাজারীতে র‌্যাবের অভিযানে ৭ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার আটক  ১ হাটহাজারীতে তাল গাছের বীজ বপন করেছে উপজেলা প্রশাসন শেরপুরে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মাঝে সংঘর্ষ শেয়ারবাজারে লেনদেনের গতি বেড়েছে  সশরীরে হবে ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা ট্রাম্প-বাইডেনের চূড়ান্ত বিতর্কে থাকছে মাইক্রোফোন বন্ধের সুযোগ বিশিষ্ট সাংবাদিক শরিফুল ইসলাম খানের মার ইন্তেকাল, বিভিন্ন মহলের শোক ঢাকাস্থ গোপালগঞ্জ সাংবাদিক সমিতির কমিটি গঠন সভাপতি মামুন, সা: সম্পাদক বাবুল, সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল সাত কর্মদিবসেই ধর্ষণ মামলার রায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী সাংবাদিক নামধারী চাঁদাবাজ জাহাঙ্গীর বাহিনীকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

ঢাকা শিশু হাসপাতালের স্টেম সেলের যন্ত্রপাতি চালু করার আগেই নষ্ট ॥কেনাকাটায় দুর্নীতি

মোঃ আনোয়ার হোসেন॥
যন্ত্রপাতি আছে কিন্ত চালানোর লোক নেই। তাই দেড় বছর ধরে বাক্স বন্ধি অধিকাংশ যন্ত্রপাতি। এমনি তুঘলকি কান্ড ঘটেছে রাজধানীর শিশু হাসপাতালের এ্যডভান্সড শিশু সার্জারী এন্ড স্টেম সেল থেরাপী ইউনিট স্থাপণ প্রকল্পে। পরীক্ষামূলকভাবে যে কয়েকটি যন্ত্রপাতি চালু করা হয়েছে সেখানেও ক্রুটি। প্রশ্ন উঠেছে এসব যন্ত্রপাতির গুনগত মান নিয়েও। কেনাকাটায় দুর্নীতি হয়েছে; এমন কানাঘুষা হাসপাতালের সর্বত্র। চাকায় শিশুদের নিরাপদ ও আরামদায়ক চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে ২০১৮ সালে প্রকল্পটি নেয়া হয়। অধিদপ্তরের উন্নয়ন খাত থেকে ইতোমধ্যে ১২ কোটি ৩২ লাখ টাকায় কেনা হয়েছে তিন সেট শিশু সার্জারি যন্ত্রপাতি। বাকি এক সেট স্টেম সেল থেরাপির যন্ত্রপাতি দেয়ার কথা
হাসপাতাল কর্তপক্ষের টাকা নেই, এমন অজুহাতে আনা হয়নি সেটি। দেড় বছর ধরে হাসপাতালে বাক্স বন্ধি হয়ে পড়ে আছে এসব অত্যাধুনিক মালামাল। সমাজ সেবা অধিদপ্তর জানিয়েছে, প্রশিক্ষিত লোক নেই; তাই মালামাল বুঝে নিচ্ছে না হাসপাতাল কর্তপক্ষ। পরীক্ষামূলকভাবে যেসব যন্ত্রপাতি চালু করা হয়েছে সেখানে প্রতিনিয়ত নানা ত্রুটি দেখা দিচ্ছে। প্রশ্ন উঠেছে এসব যন্ত্রপাতির গুনগত মান নিয়েও। এ বিষয়ে জানতে চাইলে আনুষ্ঠানিক কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি প্রকল্প পরিচালক তবে চা খাওয়ার দাওয়াত দিয়েছেনে। কোন যন্ত্রপাতি কোথা থেকে কতো টাকায় কেনা হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাব দিতে রাজি নন সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ- সচিব হেলাল উদ্দিন। ফলে কেনাকাটায় দুর্নীতির প্রশ্ন তুলেছেন হাসপাতালের সংশ্লিষ্টরা। প্রকল্পের মোট ব্যায় ২৪ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। এর মধে সমাজসেবা অধিদপ্তরের উন্নয়ন খাত থেকে ১৪ কোটি ৭০ লাখ ও ঢাকা শিশু হাসপাতাল দিবে ৯ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। প্রকল্পে ৮০ জনের বিদেশে প্রশিক্ষণের জন্য দুই কোটি ২০ লাখ, মুদ্রণ ও প্রকাশনা বাবদ ২০ লাখ, প্রচার ও বিজ্ঞাপন বাবদ ২৫ লাখ টাকাসহ বিভিন্নœ খাতে ব্যয়ের হিসেব ধরা রয়েছে। এখন বলা হচ্ছে, অর্থ নেই। তাই বাকি কাজ শেষ করা যাচেছ না। এ বিষয়ে হাসপাতাল পরিচালকের সাথে যোগাযোগ করা হলে
কথা বলতে রাজি হননি তিনিও। আর দুই মাস পর প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এই সময়ের মধ্যে প্রকল্প চালু নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার তৈরি হয়েছে। শেষ মুহুর্তে এসে সমাজসেবা অধিদপ্তর ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একে অপরের ওপর দোষ চাপিয়ে দায় সারার চেষ্টা করছেন। প্রকল্পের মোট ব্যায় ২৪ কোটি ৪৯ লাখ টাকা।
সমাজসেবা অধিদপ্তর দিয়েছে ১৪ কোটি ৭০ লাখ ঢাকা শিশু হাসপাতালের দেয়ার কথা ৯ কোটি ৭৯ লাখ টাকা
প্রকল্প ব্যয় বিদেশে প্রশিক্ষণের জন্য দুই কোটি ২০ লাখ টাকা মুদ্রণ ও প্রকাশনায় ২০ লাখ টাকা প্রচার ও বিজ্ঞাপনে ২৫ লাখ টাকা এম এস আর বাবদ এক কোটি ৪০ লাখ গবেষণায় ৫০ লাখ।

Print Friendly, PDF & Email

Please Share This Post in Your Social Media

কপিরাইটঃ ২০১৬ দৈনিক অন্যদিগন্ত এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Design & Developed BY It Host Seba Mobile: 01625324144
Shares