ফেরত যেতে রাজি নয় রোহিঙ্গারা | অন্যদিগন্ত

বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯, ০১:০৩ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ
পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে এসেছে, দাবি শিল্পমন্ত্রীর  নারায়ণগঞ্জ টেকনিক্যাল স্কুলের সীমানা প্রাচীর ধসে প্রাণ হানির আতঙ্কে ৩ হাজার মানুষ লালমনিরহাট সদর উপজেলায় স্কুল ছাত্রীকে ৫দিন আটকে রেখে গনধর্ষণ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সিনেমা ফিরিয়ে দিলেন পরিণীতি ট্রেন দুর্ঘটনায় আহত শিশুটির পরিচয় মিলেছে, নিখোঁজ মা-দাদি বসুন্ধরা পেপারের লেনদেন পূর্ব ৬৯ কোটি টাকার মুনাফা নামল ২৯ কোটিতে ইডেনের ইনডোর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেন দুর্ঘটনায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শোক কসবার ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬, তদন্ত কমিটি শহীদ নুর হোসেনকে নিয়ে রাঙ্গার আপত্তিকর মন্তব্যে প্রতিবাদে ফুসে উঠেছে রংপুরের যুবলীগ

ফেরত যেতে রাজি নয় রোহিঙ্গারা

সাহেদুল ইসলাম সাগরঃ বিভাগীয় ব্যুরো চীফ,চট্টগ্রাম॥

সব প্রস্তুতি নেওয়ার পর বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায় ফিরতে রাজি না হওয়ায় প্রত্যাবাসনপ্রক্রিয়া এখনও শুরু হয়নি।আজ বৃহস্পতিবার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনপ্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা ছিল। এ নিয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে কক্সবাজারের ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ আবুল কালাম বলেন, আমাদের দিক থেকে সব প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। প্রত্যাবাসনের জন্য তালিকায় থাকা ১০৩৭টি পরিবারের মোট ৩৫৪০ জনের সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু দুপুর ১টা পর্যন্ত কেউ স্বেচ্ছায় ফিরে যেতে রাজি হননি। তিনি বলেন, বিকাল ৪টা পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলবে। কেউ স্বেচ্ছায় রাজি হলে তাকে ফেরত পাঠাতে আমরা প্রস্তুত। ওই সময়ের আগে আমরা বলতে পারব না যে আজ প্রত্যাবাসন হচ্ছে না।প্রত্যাবাসনের তৎপরতা শুরু হলে মিয়ানমারে নাগরিকত্ব, স্বাধীনভাবে চলার নিরাপত্তা, ফেলে আসা সম্পত্তি ফেরত ও নিরাপত্তা নজরদারির শর্ত দিয়েছিলেন বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা।কক্সবাজারের টেকনাফের জাদিমোরা শালবাগান রোহিঙ্গা শরণার্থীশিবিরে ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের সহকারীর কার্যালয়ের সামনে আজ দুপুর ১২টায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মোহাম্মদ আবুল কালাম। এ সময় চীনা প্রতিনিধিদলের দুজন সদস্য ও মিয়ানমারের প্রতিনিধিরা ছিলেন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধিও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার আবুল কালাম প্রতিনিধিদলের তিনজনসহ শালবাগান শরণার্থীশিবিরে আসেন। এ সময় তারা প্রত্যাবাসনপ্রত্যাশী রোহিঙ্গা নারী ও পুরুষের সঙ্গে কথা বলেন।গত বছরের ১৫ নভেম্বর রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের প্রথম সময়সীমা ঠিক হয়েছিল। রোহিঙ্গারা রাজি না হওয়ায় সেবার একজনকেও রাখাইনে পাঠানো যায়নি। আজও কেউ রাখাইনে যেতে না চাওয়ায় এ নিয়ে দুই দফা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের চেষ্টা দৃশ্যত ব্যর্থ হতে যাচ্ছে।

Print Friendly, PDF & Email

Please Share This Post in Your Social Media


কপিরাইটঃ ২০১৬ দৈনিক অন্যদিগন্ত এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Design & Developed BY Seskhobor.Com
Shares
CrestaProject