ভাড়াটিয়া তথ্য ফরম পূরণের কারণে ঢাকায় বড় জঙ্গি আস্তানা হয়নি | অন্যদিগন্ত

বুধবার, ২২ জানুয়ারী ২০২০, ০৫:৪৬ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ
আসন্ন সরস্বতী পুজা উপলক্ষে গাইবান্ধায় সরস্বতী দেবীর প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা হাটহাজারীতে সাজাপ্রাপ্ত আসামী ও মাদক বিক্রেতা সহ আটক ২ রাজধানীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তিন শ্রমিকের মৃত্যু সিনেটে ট্রাম্পের অভিশংসন শুনানি শুরু মহেশকে ছেড়ে সুশান্তে মজেছেন এই অভিনেত্রী বাংলাদেশের টানা দ্বিতীয় জয় বোলারদের নৈপুন্যে  ৩২৯টি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপনে ২০ হাজার ৫২৬ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন নবীনগরে অবৈধভাবে কৃষি জমি থেকে বালু উত্তোলন করায় ড্রেজার ধ্বংস করলেন এসিল্যান্ড হাটহাজারীতে মিথ্যা গুজব ছড়িয়ে উচ্ছেদ অভিযানে বাধা ট্রেলার প্রকাশের পর সমালোচনার শিকার সারা-কার্তিক

ভাড়াটিয়া তথ্য ফরম পূরণের কারণে ঢাকায় বড় জঙ্গি আস্তানা হয়নি

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥

ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, ভাড়াটিয়া তথ্য ফরম পূরণ করার পর ঢাকায় কোনও বড় জঙ্গি আস্তানা গড়ে উঠতে পারেনি। এছাড়া, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইসহ সাধারণ অপরাধও কমেছে।

সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে সিটিজেন ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিআইএমএস) বা নাগরিক তথ্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির একটি অ্যাপস উদ্বোধনের সময় পুলিশ কমিশনার এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, আমরা যখন নাগরিক তথ্য সংগ্রহ শুরু করি, তারপর থেকে সাধারণ অপরাধ কমা শুরু করেছে। এমনকি হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার পর নগরীতে বড় কোনও জঙ্গি আস্তানা গড়ে ওঠেনি। এই পদ্ধতি চালু থাকায় জঙ্গি মোকাবিলায় ভূমিকা রেখেছে।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, আমি দায়িত্ব গ্রহণের পর বিট পুলিশিং সিস্টেম চালু করি। কমিউনিটিকে কাজে লাগিয়ে কমিউনিটিং পুলিশিং শুরু করেছি। আমরা উঠান বৈঠক করেছি। এভাবে জনগণকে সম্পৃক্ত করেছি।

তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জে জঙ্গি তামিম চৌধুরীর আস্তানা থেকে একটি এসএমএস পাওয়া গিয়েছিল বলে পরবর্তী সময়ে মিরপুরে একটি জঙ্গি আস্তানার সন্ধান পাওয়া যায়।

ডাটাবেজ তৈরির শুরু কথা মনে করে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘‘২০১৫ সালে আমাদের ডিবি বাড্ডায় অভিযানে যায়। তখন তারা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এই ঘটনার পর আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে যাই। তিনি আমাকে বলেন, ঢাকা শহরকে নিরাপদ করতে চাইলে একটি ডাটা ভাণ্ডার তৈরি করা দরকার। তিনি নাগরিকদের একটা ডাটাবেজ তৈরি করতে বলেন। এরপর আমরা কাজ শুরু করি। অন্যকোনও প্রতিষ্ঠান হলে ১০০ কোটি টাকা বাজেট হতো। কিন্তু আমরা কোনও বাজেট নেইনি। আমরা নিজেদের অর্থায়নে এ কাজ করেছি।

আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ৭২ লাখ বা তার চেয়েও বেশি নাগরিককের তথ্য আমাদের সিআইএমএসে যোগ হয়েছে। এখন কোনও বাড়িওয়ালা ভাড়াটিয়া তথ্য ফরম ছাড়া বাসা ভাড়া দিতে পারেন না। ভাড়াটিয়ারাও ফরম পূরণ ছাড়া বাসা নিতে পারেন না।

মোবাইল অ্যাপসের উদ্বোধন করে পুলিশ কমিশনার বলেন, এখন থেকে নাগরিকরা অ্যাপসের মাধ্যমে তাদের তথ্য দিতে পারবেন। এই অ্যাপসের মাধ্যমে নাগরিকদের সঙ্গে পুলিশের সরাসরি যোগাযোগ হবে।

অ্যাপস ছাড়াও অ্যানালগ পদ্ধতিতে তথ্য ফরম পূরণ করার পদ্ধতি চালু থাকবে। সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) থেকেই নাগরিকরা প্লে-স্টোর হতে অ্যাপসটি ডাউনলোড করতে পারবেন। কিছুদিনের মধ্যে অ্যাপেল থেকে ডাউনলোড করা যাবে বলেও জানা পুলিশ কমিশনার।

Print Friendly, PDF & Email

Please Share This Post in Your Social Media


কপিরাইটঃ ২০১৬ দৈনিক অন্যদিগন্ত এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Design & Developed BY Seskhobor.Com
Shares
CrestaProject