বিদেশ পাঠিয়েও চলছে প্রতারণা | অন্যদিগন্ত

শনিবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৯, ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন

বিদেশ পাঠিয়েও চলছে প্রতারণা

মো: শরিফুল ইসলাম, ময়মনসিংহ থেকে

কিশোরগঞ্জ, হোসেনপুর, সিদলা ইউনিয়ন, ধলাপাতা গ্ৰামের, সামছুদ্দিন সরকারের ছেলে, মোঃ আজিজুল হকের কাছ থেকে, বিগত তিন বৎসর পূর্বে ময়মনসিংহ, নান্দাইল উপজেলার, শেরপুর ইউনিয়ন, মাদারীনগর নয়াপাড়া, গ্রামের মোঃ জালাল উদ্দিনের ছেলে মোঃ রিটন মিয়া সৌদিআরব পাঠানোর কথা বলে ছয় লক্ষ টাকা নেয়। খবর নিয়ে জানা গেছে। রিটন মিয়া, একজন আদম ব‍্যবসায়ী হিসেবে, ঢাকা বনানী, ৪ নং রোড, ১১৩ নম্বর বাড়ী, মুছা ট্রাভেল এজেন্সিতে কাজ করেন।

ভোক্তভোগী আজিজুল হক বলেন, রিটন মিয়া তিন বৎসর আগে আমাকে সৌদি আরবে সরকারি কলেজ ও প্রতিষ্ঠানের ক্লিনার পদে কাজ করার প্রস্তাব করে। আমি আগ্ৰহ জানালে সে আমাকে নিয়ে মেডিকেল করায়, এবং মেডিকেল রিপোর্ট গোপন রাখে, আমি যখন রিপোর্ট জানতে চাই সে রিপোর্ট ভালো বলে আমার সাথে ছয় লক্ষ টাকার চুক্তি করে

পরে সে আমাকে সৌদি আরবে পাঠায়।সেখানে আমি তিন মাস থাকার পর, চার মাসের মাথায় ওই দেশে আবারও মেডিকেল করানো হয়। রিপোর্ট এ আমার হেপাটাইটিস রোগ ধরাপড়ে, ওই সময়, আমি রিটন মিয়ার সঙ্গে ফোনে কথা বলে জানতে চাইলে সে আমাকে বাংলাদেশে চলে আসতে বলে, পরে আমার ছয় লক্ষ টাকার কথা উল্লেখ্য করলে সে টাকা ফিরত দিতে সম্মতি জানিয়ে আমাকে বাংলাদেশে চলে আসতে বলে,পরে দু:খ ভরা হৃদয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসতে বাধ্য হই।

বাংলাদেশে আসার পর, রিটন মিয়া টাকা ফেরত দিবে  বলে অনেক দিন ঘুরাঘুরি করে টাকা না দিয়ে, রিটন মিয়া আজিজুলকে পুনরায় সৌদি পাঠানোর কথা বলে কন্সট্রাকশন লেবার ভিসা লাগিয়ে পুনরায় দুই লক্ষ টাকা দাবি করেন। উক্ত ভিসায় যাওয়ার অনিচ্ছা প্রকাশ করে তার দেওয়া ছয় লক্ষ টাকা ফেরত চাইলে ফেরত দিবে বলে, সেই সুবাধে আজিজুল হক টাকা চাইলে, সে টাকা দিতে অস্বীকার করেন, এবং বিভিন্ন অকাট্য ভাষায় গালিগালাজ করেন।

পরে আজিজুল হক গত ১৩/০৫/২০১৯ ইং তারিখে নান্দাইল থানা একটি সাধারণ ডায়রি করেন, রিটন মিয়ার বিরুদ্ধে। যার ডায়রি নং ৫৭৪

এ বিষয়ে আজিজুল হক গত ২০/০৪/২০১৯ ইং তারিখ বিকাল চারটার দিকে রিটন মিয়ার বাড়ির পাশে পাইয়া,রিটন মিয়ার কাছে টাকা চাইতে গেলে,রিটন মিয়া আজিজুলকে টাকা না দিয়ে,বিভিন্ন ভাবে অকাট্য বাসায় গালিগালাজ করেন। পরে আজিজুল গত ১৩/০৫/২০১৯ ইং তারিখে নান্দাইল থানা একটি সাধারণ ডায়রি করেন, রিটন মিয়ার বিরুদ্ধে। যার ডায়রি নং ৫৭৪ ।

এ বিষয়ে নান্দাইল থানার দুই এসআই খায়রুল ও নিরাঞ্জন এর সাথে কথা বলে জানতে চাইলে,তারা বলেন। রিটন মিয়ার বিরুদ্ধে থানায় আরো অনেক মামলা রয়েছে, সে একজন খারাপ প্রকৃতির লোক, দির্ঘ দিন ধরে রিটন মিয়া আদম ব্যবসায় জড়িত, এরকম আরো বহু মানুষের কাছ থেকে  টাকা নিয়ে প্রতারণা করছে ।

Print Friendly, PDF & Email

Please Share This Post in Your Social Media


কপিরাইটঃ ২০১৬ দৈনিক অন্যদিগন্ত এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Design & Developed BY Seskhobor.Com
Shares
CrestaProject