শেখ রাসেলের সমাধিতে বাংলাদেশ কৃষক লীগের শ্রদ্ধা | অন্যদিগন্ত

বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ
পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে এসেছে, দাবি শিল্পমন্ত্রীর  নারায়ণগঞ্জ টেকনিক্যাল স্কুলের সীমানা প্রাচীর ধসে প্রাণ হানির আতঙ্কে ৩ হাজার মানুষ লালমনিরহাট সদর উপজেলায় স্কুল ছাত্রীকে ৫দিন আটকে রেখে গনধর্ষণ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সিনেমা ফিরিয়ে দিলেন পরিণীতি ট্রেন দুর্ঘটনায় আহত শিশুটির পরিচয় মিলেছে, নিখোঁজ মা-দাদি বসুন্ধরা পেপারের লেনদেন পূর্ব ৬৯ কোটি টাকার মুনাফা নামল ২৯ কোটিতে ইডেনের ইনডোর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেন দুর্ঘটনায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শোক কসবার ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬, তদন্ত কমিটি শহীদ নুর হোসেনকে নিয়ে রাঙ্গার আপত্তিকর মন্তব্যে প্রতিবাদে ফুসে উঠেছে রংপুরের যুবলীগ

শেখ রাসেলের সমাধিতে বাংলাদেশ কৃষক লীগের শ্রদ্ধা

মোঃ ইব্রাহিম হোসেন, ষ্টাফ রিপোর্টারঃ

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ ফজিলতুন্নেসা মুজিবের কনিষ্ট সন্তান এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট ভাই শেখ রাসেলের ৫৬তম জন্মদিনে তার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে বাংলাদেশ কৃষক লীগ।

আজ ১৮ অক্টোবর ২০১৯ রোজ শুক্রবার সকাল ৮টায় বনানী কবরস্থানে শেখ রাসেলের সমাধিস্থলে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বাংলাদেশ কৃষক লীগ। বাংলাদেশ কৃষক লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ মোতাহার হোসেন মোল্ল্যা এবং সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. খোন্দকার শামসুল হক রেজা’র নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা শেখ রাসেলের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর-উত্তর ও দক্ষিন কৃষক লীগের থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

এরপর বঙ্গবন্ধু ও তার কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলসহ ১৫ আগস্ট রাতে যারা নিহত হন, তাদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৬৪ সালের ১৮ অক্টোবর ধানমন্ডির ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু ভবনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ ফজিলতুন্নেসা মুজিবের ঘরে জন্মগ্রহণ করেন শেখ রাসেল। শিশু বয়সেই ঘাতকের বুলেটে যার মৃত্যু হয়।

১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে নিহত হয় রাসেল। ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিল সে। মায়ের কাছে নেওয়ার কথা বলে সেই রাতে বাড়ির দোতলায় নিয়ে তাকে গুলি করে সেনা সদস্যরা।

ওই ঘটনা নিয়ে আদালতে বঙ্গবন্ধুর বাড়ির কর্মী আব্দুর রহমান শেখের (রমা) দেওয়া জবানবন্দি থেকে সেই হত্যাকাণ্ডের নৃশংসতার খণ্ডচিত্র পাওয়া যায়।

জবানবন্দিতে রমা বলেন, সেনা সদস্যরা নাসের, রাসেল ও আমাকে নিচ তলায় এনে লাইনে দাঁড় করায়। সেখানে সাদা পোশাকের একজন পুলিশের লাশ দেখি। সেনা সদস্যরা পরিচয় জানতে চাইলে শেখ নাসের তার নাম বলেন। তাকে নিচতলায় বাথরুমে নিয়ে যাওয়ার পর গুলির শব্দ আর আর্তচিৎকার শুনতে পাই।

“শেখ রাসেল তখন ‘মায়ের কাছে যাব’ বলতে বলতে কাঁদছিলেন। মহিতুল ইসলামের (বঙ্গবন্ধুর ব্যাক্তিগত সহকারী) কাছে সে জানতে চায়, ‘ভাই, আমাকে মারবে না তো’। এ সময় একজন সেনা সদস্য বলে, ‘চলো, তোমার মায়ের কাছে নিয়ে যাই।’ বালক রাসেলকেও দোতলায় নিয়ে যায় খুনিরা। এরপর একইভাবে গুলির শব্দ আর আর্তচিৎকার শুনি।”

Print Friendly, PDF & Email

Please Share This Post in Your Social Media


কপিরাইটঃ ২০১৬ দৈনিক অন্যদিগন্ত এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Design & Developed BY Seskhobor.Com
Shares
CrestaProject