সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২০, ০৯:৪৪ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ
 সিদ্ধিরগঞ্জে ফার্মেসী খোলা রাখায় মালিকের উপর হামলা, টাকা লুট প্রতি উপজেলার দুজনের নমুনা পরীক্ষার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর আবু মোহাম্মদ মহসিন চৌধুরী! একজন একনিষ্ঠ সমাজ হিতৈষীর নিরবে সমাজ সেবার কীর্তিকলাপ সাংবাদিক সাগর চৌধুরীর উপর সন্ত্রাসী হামলা! বুড়িচংয়ে বিল্লাল হত্যায় সন্দেহভাজন কিশোর আটক বুড়িচংয়ে গ্যারেজ ভাড়া,সিএনজি ও অটোর ভাড়া কিছুই নিবেনা কবির হোসেন বুড়িচংয়ে বিনা মূল্যে মাস্ক ও করোনা সচেতনতার লিফলেট বিতরণ পিপিই নাই প্রাইভেট চিকিৎসাও নাই;রোগীরা যাবে কোথায়? -অ্যাডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী সবকিছু নিয়ে সরকার জনগণের পাশে আছে : প্রধানমন্ত্রী দেশের এই মহামারী দুর্যোগে ইতালিতে বসবাসরত পাপিয়া নামের এক বাংলাদেশী তার বাংলাদেশের বাড়ির ভাড়া মওকুফ করে দিয়েছেন।

১৩২ রানে থামলেন মুমিনুল

ডেস্ক নিউজ ॥

জিম্বাবুয়ের সামনে দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে গিয়েছিল এই জুটি। মুমিনুল হক আর মুশফিকুর রহীমের ধৈর্যে কিছুতেই বাঁধ দিতে পারছিলেন না সফরকারি বোলাররা। ৬০.৪ ওভারের এই ম্যারাথন জুটিটি শেষতক ভাঙলো।

এনলুভোকে তুলে মারতে গিয়ে ফিরতি ক্যাচ হয়ে ফিরলেন মুমিনুল হক। ২৩৪ বল মোকাবেলায় বাংলাদেশ অধিনায়ক তার ১৩২ রানের ঝকঝকে ইনিংসটা সাজিয়েছিলেন ১৪ বাউন্ডারিতে।

মুমিনুলের এই আউটেই ভেঙেছে ২২২ রানের জুটি। তবে বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসের সেরা দশ জুটির মধ্যে ঢুকে পড়েছেন মুমিনুল-মুশফিক। এটি এখন যে কোনো উইকেটে দেশের নবম সেরা জুটি।

এই রিপোর্ট লেখা বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৪০০ রান। লিড ১৩৫ রানের। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে উইকেটে এসেছেন মোহাম্মদ মিঠুন। মুশফিক অপরাজিত ১২৮ রানে।

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ নয়। তবু এই টেস্টটা বাংলাদেশের জন্য ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। সর্বশেষ ৬ টেস্টের মধ্যে ৫টিতেই ইনিংস পরাজয় দেখা টাইগারদের যে দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। এই টেস্টটিই পারে হারানো আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে।

সেই আত্মবিশ্বাস ফেরানোর লড়াইয়ে বেশ ভালোই করছে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়েকে প্রথম ইনিংসে ২৬৫ রানে গুটিয়ে দেয়ার পর ব্যাটিংয়ে নেমে ভালো শুরুরই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন দুই ওপেনার সাইফ ও তামিম। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই জোড়া বাউন্ডারি হাঁকান ডানহাতি সাইফ। পরের ওভারে তামিমের ব্যাট থেকেও আসে দুই চার। মাত্র ৩ ওভারেই ১৮ রান করে ফেলে বাংলাদেশ।

কিন্তু চতুর্থ ওভারের শেষ বলে হালকা বেরিয়ে যাওয়া ডেলিভারিতে ব্যাট এগিয়ে দেয়ার ভুল করে বসেন সাইফ। ফলে তার ব্যাটের বাইরের কানা ছুঁয়ে বল জমা পড়ে উইকেটরক্ষক রেগিস চাকাভার হাতে। সমাপ্তি ঘটে সাইফের ১২ বলে ৮ রানের ইনিংসের।

মধ্যাহ্ন বিরতির আগে আর বিপদ ঘটতে দেননি নাজমুল হোসেন শান্ত এবং তামিম ইকবাল। দুজন মিলে ৪ ওভার খেলে যোগ করেন ৭ রান। পরে দ্বিতীয় সেশনেও দারুণ ব্যাট করেন এ দুজন। পাল্লা দিয়েই নিজেদের রান বাড়াচ্ছিলেন শান্ত ও তামিম। মনে হচ্ছিল, দুজনই তুলে নেবেন ফিফটি।

কিন্তু দলীয় ৯৬ রানের মাথায় অফস্টাম্পের বাইরের বল ড্রাইভ করতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে বসেন তামিম। সমাপ্তি ঘটে তার ৮৯ বলে ৪১ রানের ইনিংসের, একইসঙ্গে ভাঙে শান্তর সঙ্গে ১৫৯ বলে ৭৮ রানের জুটি।

তামিম না পারলেও বিরতির এক ওভার আগে ফিফটি তুলে নেন শান্ত। ক্যারিয়ারের প্রথম হাফ সেঞ্চুরি করতে খেলেন ১০৮টি বল, হাঁকান ৬টি বাউন্ডারি। পরে বিরতির ঠিক আগের ওভারে মারেন আরও একটি বাউন্ডারি।

তৃতীয় উইকেটে মুমিনুল হককে নিয়ে শান্ত গড়েন ৭৬ রানের জুটি। কিন্তু ৫০তম ওভারে এসে বোকার মতো আউট হয়ে বসেন শান্ত। অভিষিক্ত তিশুমার বেরিয়ে যাওয়া ডেলিভারিতে ব্যাট ছুঁইয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান। ১৩৯ বলে ৭ বাউন্ডারিতে গড়া শান্তর ৭১ রানের ইনিংসটি থামে তাতেই।

তবে এরপর মুমিনুল আর মুশফিকুর রহীম দলকে আর বিপদে পড়তে দেননি। দ্বিতীয় দিনের শেষ সেশনে ২১.২ ওভারের জুটিতে অবিচ্ছিন্ন থাকেন তারা। জুটি ভাঙার আগে তৃতীয় দিনেও ব্যাট করেন প্রায় দেড় সেশন।

Please Share This Post in Your Social Media

কপিরাইটঃ ২০১৬ দৈনিক অন্যদিগন্ত এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Design & Developed BY It Host Seba Mobile: 01625324144